বেঁচে থাকা আসলে সবার অধিকারের মধ্যে পড়ে না । প্রশ্ন যদি আসে কেন ?
আর কেউই নিজের জন্য বাচে না ......... জীবনের একটা সময়ে এসে মানুষ অন্য কারো জন্য বাঁচতে চায় । হয়তো তার সন্তান , হয়তো তার আপন কেউ ।
রানা প্লাজা ধসে পড়ার কথা সবাই জানেন ...... আমারই কিছু বন্ধু সেখানে পরিশ্রম করেছে মানুষের জন্য, মানুষের জীবনের জন্য। তো সেখানে আটকে পড়া এক লোক কে যখন উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার করতে গেলো তখন লোকটির মুখে একটা কথায় ছিল " আমার মেয়ে টা কোথায় , সে ভালো আছে তো " অথচ লোকটির অর্ধেক দেহ ধ্বংসস্তুপে আটকে ছিল । মানুষের বেঁচে থাকা আর বেঁচে থাকার প্রয়োজন টা এমন ই ।
আমার এক বন্ধুর পিতা কে দেখেছিলাম , বন্ধু যখন ইংরেজি তে ১০০ তে ৩৫ পেলো তখন তার বাবা, তার ছেলের কাঁধে হাত রেখে বলেছিল " পরের পরীক্ষা তে যেন ভালো হয় ' । বন্ধুর বাবার রাগ , দুঃখ বা ক্ষোভ না দেখে সেদিন সত্তিই অবাক হয়েছিলাম । তিনি কি ভেবে এটা বলেছিলান সেটা জানি না তবে সে বন্ধু সত্যিই ইংরেজি তে আর কখনো খারাপ নম্বার পায়নি । আর বাবা মা এর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টা এক দিনে হয় না এটা হয় সেই ছোটবেলা থেকে যখন ছোট বাচ্চা টা বাবার এক আঙ্গুল ধরে হাটতে শেখে । তার বাবা সব জানে সব পারে এমন ভাবতে থাকে......থিক সেই সময় থেকেই একজন বাবা তার সন্তানের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হতে পারে । শ্রদ্ধা বোধ থেকে যায় কিন্তু সন্তানের সাথে বন্ধুত্ত করতে যেসকল পিতা-মাতা পেরে ওঠেনি তারা সত্যিই অনেক দুর্ভাগা । আর যেঁ সকল পিতা মাতা সন্তান কে বুঝে না তার চোখের দিকে চেয়ে বুঝতে পারে না সে কি চায় সেই পিতা মাতা ও সবচেয়ে হতভাগ্য ।
আসলে বাবা মা এমন কিছু যাদের নিয়ে খারাপ কথা বলা তো দুরের কথা ভাবতেই ইচ্ছা করে না ।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উপহার হয়তো তারাই ।
কারন একটা ছোট কুকুরের বাচ্চা ও যদি ভয় পায় তো দৌড়ে তার মায়ের কাছে যায় । মানুষের অবলম্বন ও তাই -তাদের আপনজন । কিন্তু অনেক বাবা মা ই বুঝে না তার সন্তান তার থেকে আদর চাচ্ছে না চাচ্ছে তারা যেন কাঁধে হাত রাখুক , ছায়া হয়ে পাশে থাকার জানান দিক ।
আর সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিশ্বাসের এর ভিত্তি তে , বিশ্বাস ভেঙ্গে গেলে কিছুই থাকে না । আর বিশ্বাস ভাঙ্গে দুইটি কারনে
১. নিজের বেয়াড়া পানার জন্য , অর্থাৎ যারা ছোটবেলা থেকেই বেয়াড়া তাদের কে তাদের পিতামাতা বিশ্বাস করে না । সে সব সন্তানেরা ভুল করেও অনুতপ্ত হয় না , ভুল করতেও তাদের খারাপ লাগে না ।
২. যেসব সন্তানেরা বাবা মা কে ভালবাসে কিন্তু ভুল করে ফেললে বলতেও পারে না ঐ একটি কারনে, তা হল বন্ধুত্ত না থাকার কারনে , ভয় যেখানে বিরাজ করে বন্ধুত্ত সেখানে সম্ভব নয় । পিতা মাতা কে তারা ভয় পায় আর ঝুকে পরে হতাশায় ।
আর এক প্রকারের মানুষ আছে , যাদের দিকে সারা পৃথিবীর মানুষ আঙ্গুল তুলে তাকালেও উঠে দাঁড়ানোর সামর্থ্য রাখে কিন্তু আপন কেউ আঙ্গুল তুলে যদি দেখায় -সে কি , তার ভুল বারংবার তার দিকে ছুড়ে দিতে থাকে, তাহলে তারা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলে ।
কুলাঙ্গার সন্তান থাকলে পিতামাতা কত টুকু কষ্টে থাকে সেটা আমি জানি । আর বাবা মা কে কষ্ট দেওয়ার চেয়ে খারাপ কিছু পৃথিবীতে নেই । তাই ভুল সুধারাতে চেষ্টা করতে থাকা একটা মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলা ছোট্ট একটা কথা তাকে হতাশ করে দিতে পারে । ছুড়ে ফেলে দিতে পারে মাদক বা আত্মহননের দিকে ।
কষ্ট পেয়ে থাকে আপনজনেরা প্রিয়জনের মৃত্যুতে, কিন্তু একার জন্য কোন কিছু তো আর থেমে থাকে না । এক মাস, দুই মাস, ২বছর কাঁদবে পরে ঠিক ই ঐ শামসুর রাহমান এর "একটি ফটোগ্রাফ ' কবিতার মত কাউকে দেখিএ বলে দিতে পারবে "আমার ছেলে এই কিছু দিন আগে মারা গেছে " কাপবেনা বুক ।
তাই কাউকে খুশী করতে না পারলেও, কষ্ট দেওয়ার অধিকার আমাদের কারো নেই ......... যদি নিজের জন্য সবাই কষ্ট ই পেতে থাকে তাহলে সবার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া ই ভালো । আত্মহত্যা কে এই জন্য আমি সবসময় অসমর্থন করি না । এর মাঝেও অনেক কিছুর সমাধান রয়েছে ।
আর কেউই নিজের জন্য বাচে না ......... জীবনের একটা সময়ে এসে মানুষ অন্য কারো জন্য বাঁচতে চায় । হয়তো তার সন্তান , হয়তো তার আপন কেউ ।
রানা প্লাজা ধসে পড়ার কথা সবাই জানেন ...... আমারই কিছু বন্ধু সেখানে পরিশ্রম করেছে মানুষের জন্য, মানুষের জীবনের জন্য। তো সেখানে আটকে পড়া এক লোক কে যখন উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার করতে গেলো তখন লোকটির মুখে একটা কথায় ছিল " আমার মেয়ে টা কোথায় , সে ভালো আছে তো " অথচ লোকটির অর্ধেক দেহ ধ্বংসস্তুপে আটকে ছিল । মানুষের বেঁচে থাকা আর বেঁচে থাকার প্রয়োজন টা এমন ই ।
আমার এক বন্ধুর পিতা কে দেখেছিলাম , বন্ধু যখন ইংরেজি তে ১০০ তে ৩৫ পেলো তখন তার বাবা, তার ছেলের কাঁধে হাত রেখে বলেছিল " পরের পরীক্ষা তে যেন ভালো হয় ' । বন্ধুর বাবার রাগ , দুঃখ বা ক্ষোভ না দেখে সেদিন সত্তিই অবাক হয়েছিলাম । তিনি কি ভেবে এটা বলেছিলান সেটা জানি না তবে সে বন্ধু সত্যিই ইংরেজি তে আর কখনো খারাপ নম্বার পায়নি । আর বাবা মা এর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টা এক দিনে হয় না এটা হয় সেই ছোটবেলা থেকে যখন ছোট বাচ্চা টা বাবার এক আঙ্গুল ধরে হাটতে শেখে । তার বাবা সব জানে সব পারে এমন ভাবতে থাকে......থিক সেই সময় থেকেই একজন বাবা তার সন্তানের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হতে পারে । শ্রদ্ধা বোধ থেকে যায় কিন্তু সন্তানের সাথে বন্ধুত্ত করতে যেসকল পিতা-মাতা পেরে ওঠেনি তারা সত্যিই অনেক দুর্ভাগা । আর যেঁ সকল পিতা মাতা সন্তান কে বুঝে না তার চোখের দিকে চেয়ে বুঝতে পারে না সে কি চায় সেই পিতা মাতা ও সবচেয়ে হতভাগ্য ।
আসলে বাবা মা এমন কিছু যাদের নিয়ে খারাপ কথা বলা তো দুরের কথা ভাবতেই ইচ্ছা করে না ।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উপহার হয়তো তারাই ।
কারন একটা ছোট কুকুরের বাচ্চা ও যদি ভয় পায় তো দৌড়ে তার মায়ের কাছে যায় । মানুষের অবলম্বন ও তাই -তাদের আপনজন । কিন্তু অনেক বাবা মা ই বুঝে না তার সন্তান তার থেকে আদর চাচ্ছে না চাচ্ছে তারা যেন কাঁধে হাত রাখুক , ছায়া হয়ে পাশে থাকার জানান দিক ।
আর সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিশ্বাসের এর ভিত্তি তে , বিশ্বাস ভেঙ্গে গেলে কিছুই থাকে না । আর বিশ্বাস ভাঙ্গে দুইটি কারনে
১. নিজের বেয়াড়া পানার জন্য , অর্থাৎ যারা ছোটবেলা থেকেই বেয়াড়া তাদের কে তাদের পিতামাতা বিশ্বাস করে না । সে সব সন্তানেরা ভুল করেও অনুতপ্ত হয় না , ভুল করতেও তাদের খারাপ লাগে না ।
২. যেসব সন্তানেরা বাবা মা কে ভালবাসে কিন্তু ভুল করে ফেললে বলতেও পারে না ঐ একটি কারনে, তা হল বন্ধুত্ত না থাকার কারনে , ভয় যেখানে বিরাজ করে বন্ধুত্ত সেখানে সম্ভব নয় । পিতা মাতা কে তারা ভয় পায় আর ঝুকে পরে হতাশায় ।
আর এক প্রকারের মানুষ আছে , যাদের দিকে সারা পৃথিবীর মানুষ আঙ্গুল তুলে তাকালেও উঠে দাঁড়ানোর সামর্থ্য রাখে কিন্তু আপন কেউ আঙ্গুল তুলে যদি দেখায় -সে কি , তার ভুল বারংবার তার দিকে ছুড়ে দিতে থাকে, তাহলে তারা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলে ।
কুলাঙ্গার সন্তান থাকলে পিতামাতা কত টুকু কষ্টে থাকে সেটা আমি জানি । আর বাবা মা কে কষ্ট দেওয়ার চেয়ে খারাপ কিছু পৃথিবীতে নেই । তাই ভুল সুধারাতে চেষ্টা করতে থাকা একটা মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলা ছোট্ট একটা কথা তাকে হতাশ করে দিতে পারে । ছুড়ে ফেলে দিতে পারে মাদক বা আত্মহননের দিকে ।
কষ্ট পেয়ে থাকে আপনজনেরা প্রিয়জনের মৃত্যুতে, কিন্তু একার জন্য কোন কিছু তো আর থেমে থাকে না । এক মাস, দুই মাস, ২বছর কাঁদবে পরে ঠিক ই ঐ শামসুর রাহমান এর "একটি ফটোগ্রাফ ' কবিতার মত কাউকে দেখিএ বলে দিতে পারবে "আমার ছেলে এই কিছু দিন আগে মারা গেছে " কাপবেনা বুক ।
তাই কাউকে খুশী করতে না পারলেও, কষ্ট দেওয়ার অধিকার আমাদের কারো নেই ......... যদি নিজের জন্য সবাই কষ্ট ই পেতে থাকে তাহলে সবার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া ই ভালো । আত্মহত্যা কে এই জন্য আমি সবসময় অসমর্থন করি না । এর মাঝেও অনেক কিছুর সমাধান রয়েছে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন